কাদের চেহারা নারিদের লজ্জাস্থান এর মতো হবে।নাছির উদ্দিন যুক্তিবাদী গোপালগঞ্জ।New Bangla Waz 2020

1
148
কাদের চেহারা নারিদের লজ্জাস্থান এর মতো হবে।নাছির উদ্দিন যুক্তিবাদী গোপালগঞ্জ।New Bangla Waz 2020

আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো ইসলামের আলোকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া ..ইসলামের দাওয়াত সকলে কাছে পৌছেদেওয়া।আপনাদের লাইক,কমেন্ট,শেয়ার,সাবস্ক্রাইব,আমাদের এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরোনা। আমাদের চ্যানেলটি ##jannaterpotheislam##সাবস্ক্রাইব## করে আমাদেরকে এগিয়ে নিয়েযেতে সাহয্যকরুন। আপনি ও একজন ইসলাম প্রচারক হয়ে ছয়াবের অধিকারী হয়েজান।

Our sole purpose is spreading to everyone in the light of Islam. Islam’s invitation is to reach all people. Like you, comment, share, subscribe, inspiration to move forward. Help us get ahead by subscribing to our channel ## jannaterpotheislam ##. You and an Islamist become the preacher.

***আপনাদের মতামত আমাদের কে জানান
***দাওয়াতের নিয়তে শেয়ার করুন ।
***লাইক, কমেন্ট,করুন ।
*********ধন্যবাদ*************

*** Tell us what you think
*** Share the message of the invitation.
*** Like, Comment, Please.
********* Thank you ************

Our Social Media**********

আমাদের সোসিয়াল মিডিয়াতে এড দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন সবসময়

ইউটিউব****** https://www.youtube.com/channel/UCSxN7tyUf6ACTSUdy5ahqfQ/about?disable_polymer=1

ফেসবুক*****
https://web.facebook.com/profile.php?id=100007685882799

টুইটার*******
https://twitter.com/IslamPothe

ফেসবুক অফিসিয়াল
https://web.facebook.com/jpi34/

গুগোল প্লাস+
https://plus.google.com/u/0/?tab=mX

1 COMMENT

  1. ইসলামে ‘যিনা’ বা ‘ব্যভিচার’ আর ‘ধর্ষণ’ এক নয়। ধর্ষণ বুঝাতে আরবিতে ‘ইগতিসাব’ ব্যবহৃত হয়। ‘যিনা’ শব্দটাই আমরা যেন ‘ধর্ষণ’ অর্থে নিয়ে গেছি। ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। সঙ্কটটা এ জন্যেই তৈরি হয়েছে।

    ‘যিনা’ বলতে সেটাই যেটা আমাদের বিদ্যমান আইনে অপরাধ নয়, অর্থাৎ ‘ইনটেনশনাল সেক্স’, মানে সম্মতির ভিত্তিতে যৌন সম্পর্ক। আর ‘ইগতিসাব’ বা ধর্ষণ হচ্ছে বলপ্রয়োগপূর্বক কারও সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন।

    সেমতে ধর্ষণ আর যিনা উভয়ের দণ্ডবিধান ইসলাম একভাবে করে না। মনে রাখতে হবে, জিনা বা ব্যাভিচার ব্যাক্তিগত জীবনাচারে ‘মোরালিটি’র চর্চা থেকে সরে গেলেই ঘটে। ধর্ম থেকে দূরে গেলেই এর বিস্তার হয়।

    আর ধর্ষণ হচ্ছে মেজর ক্রাইম, পৃথিবীর কোনও সমাজে যেমন অন্যায় খুন একেবারে বন্ধ করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি এটাও। যেসব মানুষ এই ধরনের অপরাধ করে তার পেছনে কোনও কারণ দাঁড় করিয়ে ব্যাপারটাকে লঘু করা যায় না।

    যিনার শাস্তি অবিবাহিত হলে একশ বেত্রাঘাত, আর বিবাহিত হলে মৃত্যুদণ্ড। আর ধর্ষণের ক্ষেত্রে এ ধরণের কোনও স্তরভাগ করা হয় নি। জিনার শাস্তির ক্ষেত্রে ইসলামকে তুলনামূলক নমনীয় দেখা যায়, এই কাজ থেকে গোপনে সংশোধনকে ইসলাম উৎসাহিত করে।

    কিন্তু ইসলামে ধর্ষককে দেখা হয় ‘মুহাররিব’ হিসেবে, যার ইংরেজি অনুবাদ করা হয় "war against God and the state” অর্থাৎ রাষ্ট্র ও আল্লাহ্‌র বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকারী। যে সমস্ত অপরাধীদের মুহাররিব বলে তাদের ব্যাপারে কোনও ছাড় নেই।

    রাষ্ট্র তাদেরকে ‘সর্বোচ্চ অপরাধ’ তথা ‘Capital Crime’-এ অপরাধী হিসেবে সর্বোচ্চ সাজা তথা ‘Capital Punishment’ নিশ্চিত করতে বাধ্য। কোরআন তাদের শাস্তি স্থির করছে, ১।মৃত্যুদণ্ড ২। হাত ও পা কেটে দেওয়া ৩। দেশান্তর বা দ্বীপান্তর। এবার রাষ্ট্র অপরাধের ধরন ও প্রকৃতি অনুযায়ী সাজা নির্ধারণ করবে।

    সুতরাং ধর্ষণে নারীর পোশাক কি ছিল বা না ছিল সে বিষয় বিচারে বিবেচ্য নয়। এবার আসা যাক, পোশাক কি আসলেই ধর্ষণ রোধ করে? ইসলাম এ কথা বলে না যে, কেবল পর্দাই ধর্ষণ রোধ করে। ইসলাম বরং পর্দার বিধান দিয়েছে, কারণ এর দ্বারা ব্যাভিচার কমে, ধর্ষণের হার কমে।

    প্রকৃতিগতভাবে যারা অপরাধী নয়, অন্তত এমন লোকদের দ্বারা ধর্ষণের ব্যাপার কঠিন হয়। কিন্তু ইসলাম কেবল নারীকেই এ ব্যাপারে বলে না, বরং পুরুষদেরকেও নিজেদের লজ্জাস্থান হেফাজত এবং চোখকে সংযত রেখে অবনতভাবে চলতে বলে।

    আর শাসকগোষ্ঠীকে বলে বিচার নিশ্চিত করতে। যিনা বা ব্যভিচারের ব্যাপারে নারীর পোশাক নিয়ে প্রশ্ন যারা তুলে তারা যদি পুরুষের দৃষ্টি নিয়ে কথা না বলে বুঝবেন ইসলামের মুখোশে বরং সে ভণ্ডামি করতে এসেছে, অর্ধ সত্য প্রচার করতে।

    আবার যারা পোশাককে এসবের জন্য কোনও কারণ বলেন না, যারা মনে করেন পর্দার প্রয়োজন নেই, পোশাকের স্বাধীনতার নাম করে পর্দাহীনতা চালু করতে চায় এরা মূলত সমাজে ব্যাভিচার চালু করতে চায়। এটাও ধর্ষকপক্ষের অংশ। তারা মূলত নগ্নতা ও যৌনতার সহজলভ্যতার আলাপ এই ভিন্ন মোড়কে সুযোগ বুঝে বাজারে ছাড়ে।

    যিনা ও ধর্ষণ রুখতে পোশাক অতি অবশ্যই অন্যতম বিষয়, তেমনি পুরুষের দৃষ্টি নত রাখাও। এতে খোদায়ী নিরাপত্তা কায়েম হয়। আর এই জন্যেই পোশাকের স্বাধীনতার অবাধ রাষ্ট্র আমেরিকায় যতবেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, মুসলিম বিশ্বের কোথাও এরকম ঘটে না। এমনকি পতনের এই কালেও সেই হার অনেক কম।

    লেখা প্রেরক-
    মোঃ শাহ্ আলম কুমিল্লা
    জামাত: মেশকাত
    জামিয়া ইসলামিয়া ওবাইদিয়া নানুপুর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here